◆ আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করুনঃ
কনটেন্ট হিসাবে টেক্সট, ছবি, ভিডিও ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন ভিডিও পোষ্ট অন্য যেকোন পোষ্টের তুলনায় ৭৫%-৯৫% বেশি এনগেজমেন্ট বাড়াতে সক্ষম।
◆ আপনার ফেইসবুক স্টোরিতে প্রোডাক্টের ছবি, ভিডিও আপলোড করুন। স্টোরিতে রিচ ও এনগেজমেন্ট বেশি হয়ে থাকে। প্রোফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার দ্বারা অর্থপূর্ণ এবং unique logo, cover / banner বানাবেন। “আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারী ” এই প্রবাদটা ভুলে যাবেন না।
◆ যে ছবি বুষ্ট করবেন সেই ছবিতে ২০% এর নিচে টেক্সট ব্যবহার করবেন। তবে যদি আপনি বই, এ্যালবাম, পোষ্টার, ইভেন্ট ইত্যাদির Ad করেন তাহলে সেটা ২০% এর অনেক বেশি হলেও সমস্যা নেয়। আপনার টেক্সট ২০% এর বেশি কিনা সেটা চেক করুন এই লিংকে গিয়েঃ https://www.facebook.com/ads/tools/text_overlay#
◆ আপনি বুষ্ট করার জন্য যেই ছবি বা ভিডিও এর thumbnail বানাবেন সেটাতে কখনোই সোশ্যাল মিডিয়ার লোগো না বুঝে ব্যবহার করতে যাবেন না। কারণ আপডেটেড লোগো ব্যবহার করা লাগে এবং মাঝে মাঝে তাঁদের brand awareness এর পারমিশন নেওয়া লাগে।
◆ Infographics তৈরি করুনঃ
ইনফোগ্রাফিক্সের মাধ্যমে খুব সংক্ষেপে টোটাল বিষয় বুঝিয়ে উপস্থাপন করা সম্ভব। একবার ভালো মত দেখলেই খুব কম সময়ে কনসেপ্ট বিন্ড করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
◆ লাইভ করুন। তাতে করে মানুষের সাথে খুব সহজেই সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন।
◆ অন্য উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে শক্তিশালী কমিউনিটি, গ্রুপ, ফোরাম গড়ে তুলুন। কোয়ালিটি এবং সততা যদি বজায় রাখেন তাহলে খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারবেন।
◆ দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ। মনে রাখবেন একা একা খুব বেশি দূর যাওয়া সম্ভব নয়। তাই সকলের সাথে মিলে মিশে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
◆ টাইমলাইন, স্টোরি, পেজে, গ্রুপে নিয়মিত এক্টিভিটি জরুরী তবে পেইড মার্কেটিং এ সোশ্যাল মিডিয়া সব থেকে ভালো কাজ করে এইটা ভুলে গেলে চলবে না। সেক্ষেত্রে কে বা কারা আপনার টার্গেট এবং তাঁদের পছন্দ-অপছন্দ বুঝে অডিয়েন্স ঠিক করুন। ইনফ্লুয়েন্সারদের অন্তভূক্ত করুন।
◆ সর্বদা মনির্টরিং করুন, আপডেট থাকুন। আর নিজের যদি স্বচ্ছ ধারণা না থাকে তাহলে নিজে নিজেই কোন সিদ্ধান্তে উপনিত হবেন না। যে বা যারা এক্সপার্ট তাঁদের সাথে সংযুক্ত হোন।
নিজের সাহস, হার না মানা মানুষিকতা, বুদ্ধির সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এগিয়ে যান। বাকিটা সৃষ্টিকর্তা দেখবেন।

